
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। একই সঙ্গে জনগণকে ভুল তথ্য ও অপতথ্যের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষা প্রদান করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময়, বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন এ বিষয়ে আলোচনা করেন। আজ (সোমবার) সকালে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর অফিস কক্ষে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাতের সময়, দুই দেশের গণমাধ্যম, সংস্কৃতি এবং জ্ঞানভিত্তিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সম্পর্ক জোরদার করার ওপর আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে, তথ্যমন্ত্রী বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোকে একটি সুশৃঙ্খল নিয়মনীতির আওতায় আনার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের অপব্যবহার রোধে বিশ্বের সকল দেশের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
মন্ত্রী সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পাশাপাশি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
জহির উদ্দিন স্বপন মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে জানান, সরকার গণমাধ্যমের বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করছে। এসব বৈঠকের মাধ্যমে প্রাপ্ত সুপারিশগুলো পর্যালোচনা করে কার্যকর কর্মপরিকল্পনা বা ‘রোডম্যাপ’ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে, এবং এই প্রক্রিয়ায় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কারিগরি ও পেশাগত সহযোগিতা কামনা করেন।
এসময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন বিশেষায়িত ক্যাটাগরিতে নিয়মিত বৃত্তি প্রদান করে। এর ফলে বাংলাদেশের তরুণ সমাজ ও পেশাজীবীরা বিশেষভাবে উপকৃত হতে পারেন।
বৈঠকে তথ্যমন্ত্রী সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ঘটে যাওয়া দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধি দল এ সময় তথ্যমন্ত্রীকে অবহিত করেন যে, ওই ঘটনায় অভিযুক্ত হত্যাকারীকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বৈঠকে, মার্কিন দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।